বন্ধ্যত্বের লক্ষণগুলোর মধ্যে হরমোনের সমস্যাগুলো জড়িত। তার আলাদা কিছু লক্ষণ ও উপসর্গ রয়েছে। যেমন অল্প বয়সে শৈশবে বা কৈশোরে কোন মেয়ের হঠাৎ করে ওজন বেড়ে যাওয়া। তার সঙ্গে শরীরে অবাঞ্ছিত লোম বেড়ে যাওয়া। তার সঙ্গে মাসিক অনিয়মিত হয়ে পড়া। এছাড়াও আজকাল থাইরয়েডের সমস্যা অনেক কমন, এটা অনেকে মেয়েদের হয়ে থাকে। থাইরয়েডের কারণে অনেক নারী বন্ধ্যত্ব হয়। থাইরয়েডের কিছু লক্ষণ দেখা যায়, যেমন ওজন বেড়ে যায়, মোটা হয়ে যাওয়া,শরীরে ক্লান্তি, মাসিকের পরিমাণ হওয়া, চুল পড়ে যাওয়া এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া। এছাড়াও প্রোলাকটিং বলে আরেকটা হরমোন আছে, যেটা বেড়ে গেলে বন্ধ্যত্ব দেখা দেয়। আর সেটা দিলে অনেক সময় স্তনে ব্যথা করে, স্তন থেকে রস নিঃসৃত হয়। এধরনের সমস্যা থাকলে আমরা প্রোলাকটিং হরমোনের কথা চিন্তা করি। আমাদের শরীরে অনেক ধরনের হরমোন রয়েছে। এর কোনটার ব্যতিক্রম দেখা দিলে প্রজনন ক্ষমতা বাধা প্রাপ্ত হয়।
হরমন সমস্যা প্রতিরোধে ফিজিওথ্যারাপি ও বডি মাসাজ এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন..
Facebook Page:
https://www.facebook.com/Only-for-Women-123431559049039/
No comments:
Post a Comment